Home » Articles posted by Admin (Page 4)

Author Archives: Admin

PRIMARY TET NOTIFICATION 2017 WB PRIMARY TET 2015 EXAM DATE ADMIT CARD FORM FILL UP RESULT INTERVIEW COUNSELLING INFORMATION LATEST NEWS

স্কুল সার্ভিস ম্যাথেমেটিকস্ ফ্রী অনলাইন মকটেস্ট লিঙ্ক
www.mocktest123.com
LIKE FACEBOOK PAGE: www.facebook.com/wbbpe
Unofficial Informational Website West Bengal Board of Primary Education www.facebook.com/wbbpe

HIGH COURT ORDER

Kolkata_High_Court

PRIMARY CASE:

20/10/2016

আজ টেট মামলায় স্বস্তি পেল রাজ্য সরকার। কলকাতা হাইকোর্টের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ আজ জানান, যে রাজ্য সরকার নিয়ম মেনে টেট উত্তীর্ণদের নিয়োগ করতে পারবে। তবে যারা চাকরি পাবেন তাঁদের জানিয়ে দিতে হবে যে হাইকোর্টে এই মামলা চলছে। তাই কোর্টের রায়ের ওপরেই তাঁদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে।

উল্লেখ্য পুজোর আগেই হাইকোর্টের রায় বেরোবার পর রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ৬০ হাজার পরীক্ষার্থীকে চাকরি দেবার কথা ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এই ঘোষণার পরই এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেন কিছু পরীক্ষার্থী। আজ সেই মামলার রায় দিলো হাইকোর্ট।

এবার আর নিয়োগে কোন বাঁধা থাকলো না। তবে মামলার চূড়ান্ত রায় আসা এখোনো বাকি। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় আগেই বলেছিলেন যে প্রশিক্ষিত পরীক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন চাকরির ক্ষেত্রে। তারপর প্রশিক্ষিত নন যারা তাঁদের নেওয়া হবে। অবশ্য তাঁদের ২ বছরের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিয়ে নিতে হবে।

Source: http://plusbangla.com/tet-result-case/

 

……………………………………………………………….

Primary Interview Venue , Date & Time

প্রাইমারী ইন্টারভিউতে ঢোকার আগে প্রস্তুতির লিঙ্ক
www.wbbpe.in/interview-preparation
প্রাইমারী মক ইন্টারভিউ-এর লিঙ্ক
www.mocktest123.com/mock-interview

 


Previous News

TET RESULT IS PUBLISHED TODAY 14/09/2016

হাই কোর্টের রায়ে প্রাইমারী টেটের রেজাল্ট প্রকাশ হতে চলেছে। আজ 14/09/2016 প্রাইমারী টেটের ফল প্রকাশ। নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষন প্রাপ্তরা অগ্রাধিরার পাবেন।

RESULTS LINK http://wbresults.nic.in/primary_tet2014_result/primary.htm

http://wbresults.nic.in/primary_tet2014_result/primary.htm

14th September 2016  হাইকোর্টে টেট মামলায় রায়দান

14 th September 2016  টেট মামলার রায় দিতে চলেছেন কোলকাতা হাইকোর্ট। এই রায়ের উপর নির্ভর করছে লক্ষ লক্ষ প্রশিক্ষনহীন পরীক্ষার্থীর ভাগ্য। তবে রায় বেরিয়ে গেলে টেট রেজাল্ট বের হতে আর বেশী দিন সময় লাগবে না। এই কোর্ট কেসের জন্যই রেজাল্ট আটকে আছে। পরীক্ষার্থীরা এই রায়ের দিকে অধীর অপেক্ষায় তাকিয়ে আছেন।

 


Previous News

Dated: 31/08/2016

টেট মামলায় ফের রায়দান স্থগিত রাখল হাইকোর্ট

টেট মামলায় ফের রায়দান স্থগিত রাখল হাইকোর্ট। ২০০৯ সালের পরে ৪৩৭টি টেট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বেশিরভাগই স্বীকৃতিহীন ছিল বলে আদালতকে জানাল রাজ্য সরকার। ২০০১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলির স্বীকৃতি থাকলেও পরে স্বীকৃতিতে ছেদ পড়ে। বিচারপতি কারনান প্রশ্ন তোলেন তাহলে ২০০৯-র পর থেকে রাজ্যসরকার এই স্বীকৃতিহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে আইনত কী ব্যবস্থা নিয়েছে?

সরকারি আইনজীবী জানান যে যেহেতু অধিকাংশই স্বীকৃতিহীন প্রতিষ্ঠান তাই দুহাজার পনের সালে টেট পরীক্ষার সময় হাতে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত প্রার্থী ছিলেন না। কিন্তু এখন রাজ্য সরকার অনুমোদিত স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান আছে। ২০১৭-র মধ্যে শিক্ষিত হবেন পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রার্থী। যদিও মামলাকারীর আইনজীবীরা এর তীব্র বিরোধিতা করেন। রায়দান আপাতত স্থগিত রাখেন বিচারপতি

Source: zeenews.india.com

Previous News

আজ টেট মামলার রায় কলকাতা হাইকোর্টে।

TET VERDICT

 

18/08/2016: 

টেট মামলায় নয়া মোড়! বিপাকে কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী:

টেট মামলায় অন্ধকারে প্রশিক্ষণহীনদের ভবিষ্যত্‍। রাজ্য সরকার এবার হাইকোর্টে জানিয়ে দিল, নিয়োগে অগ্রাধিকার পাবেন প্রশিক্ষিতরাই। প্রশিক্ষিতদের নিয়োগের পর শূন্য পদ থাকলে, তবেই বিবেচনায় আসবে প্রশিক্ষণহীনদের কথা। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণহীন, দুয়ের মাঝেই যত জট-জটিলতা। মাঝে ফেঁসে বহু পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যত্‍। বারবার চক্কর আদালতের।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি সি এস কারনানের এজলাসে শুনানিতে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল জানিয়ে দেন, “প্রশিক্ষণহীনদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হলেও, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদেরই অগ্রাধিকার দেবে রাজ্য। যদি দেখা যায় শূন্যপদ ভরে যাচ্ছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের দিয়েই, তাহলে আর একজনও প্রশিক্ষণহীনকে নিয়োগ করা হবে না।”

প্রশিক্ষণহীনদের ভবিষ্যত যে অন্ধকারে চলে গেল, তা রাজ্যের এদিনের বক্তব্যে পরিস্কার। টেট নিয়ে টানাপোড়েন অবশ্য আজকের নয়, বহুদিনের। ৩১ মার্চ, ২০১৫-র পর প্রাথমিকে টেট পরীক্ষায় বসতে পারবেন না প্রশিক্ষণহীনরা। কেন্দ্রের এই নির্দেশের প্রেক্ষিতে ওইসময় রাজ্যের জবাব ছিল, রাজ্যে যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থী নেই। তাই প্রশিক্ষণহীনদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে।

Source  zeenews.india.com

 

Previous News:

৮ আগস্টের মধ্যে হাই কোর্টে ছাড়পত্রের কপি জমা দিতে হবে রাজ্যকে৷

২০১৫-র প্রাথমিক টেট নিয়ে হাই কোর্টে জটিলতা অব্যাহত৷ অপ্রশিক্ষিত প্রার্থীদের নিয়োগের বিরোধিতা করে দায়ের হওয়া মামলায় ফের রাজ্যকে হুঁশিয়ারি বিচারপতি সি এস কারনানের৷ শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কারনান জানান, ভুল তথ্য দিলে বিপাকে পড়তে হবে রাজ্য সরকারকেই৷

কেন্দ্রের কাছে অপ্রক্ষিতদের প্রশিক্ষিত করার মেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত রাজ্যের আবেদনের কপি ও কেন্দ্রের কাছ থেকে পাওয়া সেই সংক্রান্ত ছাড়পত্রের কপিও তলব করেছেন বিচারপতি কারনান৷ ৮ আগস্টের মধ্যে হাই কোর্টে ওই কপি জমা দিতে হবে রাজ্যকে৷ এদিকে, টেট নিয়ে চলতে থাকা জটিলতা প্রসঙ্গে এদিন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “২০১৫ -র অক্টোবরে নেওয়া প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা আমাদের আবশ্যিক কর্তব্য৷ প্রায় ২০ লক্ষ প্রার্থী পরীক্ষায় বসেছিলেন৷ আমরা আশাবাদী, শিক্ষকদের অপ্রতুলতা দূর হবে৷
Date: 06/08/2016
Source: www.sangbadpratidin.in

PTTI CASE:

রাজ্যের জয়ে চাকরি বাঁচল প্রাথমিকে

Date: 23/07/2016 Anandabazar Patrika:
দীর্ঘদিন ধরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মামলা ঘুরপাক খেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টের মধ্যে। তাতেও সুরাহা না-হওয়ায় ফের মামলা হয় উচ্চ আদালতের সিঙ্গল বেঞ্চে। সেখান থেকে ডিভিশন বেঞ্চ। অবশেষে শুক্রবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে সেই নিয়োগ মামলায় জয় হল রাজ্য সরকারের।
এবং সরকারের জয়ে প্রাথমিক শিক্ষকের পদে নিযুক্ত কয়েক হাজার প্রার্থীর মাথার উপর থেকে সরে গেল বিপদের খাঁড়া। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ মেধা-তালিকা ঢেলে সাজার যে-নির্দেশ দিয়েছিল, সেই অনুযায়ী কাজ হলে অনেকেরই চাকরি নিয়ে টানাটানি পড়ে যেত বলে শিক্ষা শিবির এবং আইনজীবীদের অভিমত। ডিভিশন বেঞ্চ মেধা-তালিকা পুনর্বিন্যাসের সেই নির্দেশ খারিজ করে দেওয়ায় ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্কুলে নিযুক্ত বহু প্রার্থীর বিপদ কাটল।
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক গত ১২ এপ্রিল নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০০৬ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় পিটিটিআই প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে বাড়তি ২২ নম্বর যোগ করতে হবে। সেই অনুযায়ী নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাসও করতে বলেন তিনি। রাজ্য সরকার সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মাস দেড়েক আগে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করে। বিচারপতি সৌমিত্র পাল ও বিচারপতি মির দারা সিকোর ডিভিশন বেঞ্চ এ দিন বিচারপতি বসাকের সেই নির্দেশ খারিজ করে দেওয়ায় একই সঙ্গে সরকারের জয় হয়েছে এবং বিপন্মুক্ত হয়েছেন নিয়োগপত্র পাওয়া অনেক প্রার্থী।
রাজ্য জুড়ে শিক্ষকের আকাল। পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা না-থাকায় প্রাথমিক থেকে স্কুলশিক্ষার সর্বস্তরেই পঠনপাঠন মার খাচ্ছে। এই অবস্থায় শিক্ষা শিবিরের প্রশ্ন, প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে মামলা-মকদ্দমা এত জটিল এবং দীর্ঘায়িত হয়ে উঠল কেন?
রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সূত্রের খবর, ২০০৬ সালে কর্মসংস্থান কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকপদ পূরণের জন্য আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ’ ছিল না। প্রতিটি জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের মাধ্যমে ওই সব পদে নিয়োগের পরীক্ষা হয়। প্যানেল তৈরি হয় ২০০৯-’১০ সালে। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০০১ সালের নিয়ম মেনে প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট বা পিটিটিআই থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের অতিরিক্ত ২২ নম্বর দেওয়া হবে। কিন্তু মেধা-তালিকা তৈরির পরে জানা যায়, ওই ২২ নম্বর অনেককেই দেওয়া হয়নি। হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, ২০০১ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত যাঁরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা ২২ নম্বর পাওয়ার যোগ্য। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে শীর্ষ আদালত।
কিন্তু তার পরেও প্রাপকদের ওই ২২ নম্বর না-দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা ফের হাইকোর্টে মামলা করেন। গত এপ্রিলে বিচারপতি দেবাংশু বসাক জানিয়ে দেন, প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের ওই ২২ নম্বর দিতেই হবে। সেই সঙ্গেই তাঁর নির্দেশ ছিল, ওই বাড়তি নম্বর সংযোজনের পরে মেধা-তালিকায় যে-হেরফের হবে, সেই অনুযায়ী প্যানেল পুনর্বিন্যাস করতে হবে।
বর্তমানে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অশোক রুদ্র সেই সময় আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন। এ দিন তিনি জানান, পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকার বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল, প্রাথমিক শিক্ষকপদে আবেদন করার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হতে হবে। থাকতে হবে এক বছরের পিটিটিআই ট্রেনিং। কিন্তু ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন বা এনসিটিই-র নিয়ম অনুযায়ী এটা অবৈধ। তাদের নিয়ম অনুসারে ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে প্রার্থীকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করতে হবে। এবং সেই সঙ্গে থাকতে হবে দু’বছরের পিটিটিআই প্রশিক্ষণ। অশোকবাবুর অভিযোগ, আগেকার সরকার এনসিটিই-র নিয়ম উপেক্ষা করে নিয়োগ করতে থাকায় জটিলতা শুরু হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে এনসিটিই-র নিয়ম মানতে গিয়ে বঞ্চিত হন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের একাংশ। ওই ২২ নম্বরের দাবি জানিয়ে ২০১২ সালে তাঁরাই উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করেন।
স্কুলশিক্ষা দফতরের এক কর্তা জানান, বিচারপতি বসাকের নির্দেশে অনেক প্রাথমিক শিক্ষকেরই চাকরি হারানোর পরিস্থিতি তৈরি হয়। কারণ, ওই ২২ নম্বর দেওয়া হলে এবং প্যানেল পুনর্বিন্যস্ত হলে অনেক প্রার্থীর নাম তালিকার উপরের দিকে চলে আসত। স্বাভাবিক ভাবেই সেই সব প্রার্থী হয়ে উঠতেন এমন কিছু পদের দাবিদার, যেখানে নিয়োগ হয়ে গিয়েছে। পথে বসতেন ইতিমধ্যে নিযুক্ত বহু প্রার্থী। সেই জন্যই সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার।
‘‘ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের ফলে বহু শিক্ষক বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচলেন,’’ বলছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য।
Source: http://www.anandabazar.com/state/state-government-finally-wins-the-case-primary-teacher-case-recruitment-1.440732#

আশঙ্কা কাটল ২০০৯ সালে নিযুক্ত ২৯ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষকের।

Date: 22/07/2016

#কলকাতা: আশঙ্কা কাটল ২০০৯ সালে নিযুক্ত ২৯ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষকের। অন্যদিকে, ২০০৬ সালের আগে পিটিটিআই শংসাপত্র প্রাপক দুই থেকে আড়াই হাজার নিয়োগপ্রার্থীর নতুন করে চাকরি পাওয়ার আশা শেষ হয়ে গেল ৷
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় জয় পেল রাজ্য । পিটিটিআই ট্রেনিংপ্রাপ্তদের প্রাপ্য বাইশ নম্বরকে মান্যতা দেওয়ার রায় খারিজ করে দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।
২০১০ সালে নিয়োগপত্র পাওয়া এই প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ তালিকা পুনর্বিন্যাস করতে হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। হাইকোর্টের সৌমিত্র পাল ও মীর দারাশেকোর ডিভিশন বেঞ্চ পিটিটিআই নিয়ে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করে দিল ।
চলতি বছরের ১২ এপ্রিল হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক পিটিটিআই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ২২ নম্বরকে মান্যতা দেন। বলেন, ২০০৯ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের যে তালিকা তৈরি হয়েছিল তা পুনর্বিন্যাস করতে হবে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করে রাজ্য সরকার। আজ সৌমিত্র পাল ও মীর দারাশেকোর ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের পক্ষেই রায় দিল।
এর ফলে পিটিটিআই নিয়ে কাটল জটিলতা ৷ এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে বিপাকে পড়েছিল রাজ্য এবং একইসঙ্গে ২০০৯-১০ সালে নিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয় ৷
২০০৬ থেকে ২০১০, মামলা-মকদ্দমা সহ নানা ঘটনার জেরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতি নিয়েই একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। ২০০৯ সালের পরীক্ষার ভিত্তিতে, ২০১০ সালে নিয়োগপত্র পাওয়া প্রায় ৩০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক আচমকাই চরম সংশয়ে পড়েন।
শিক্ষার অধিকার আইন চালু হওয়ার আগে রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য মানা হত নিয়োগ আইন ২০০১। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের রিক্রুটমেন্ট রুল ২০০১ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদগুলি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ করত। সেই আইন অনুযায়ী জেলায় জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি হয় ২০০৬ সালে। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত পিটিটিআই নিয়োগপ্রার্থীদের পাশপাশি প্রশিক্ষণহীনরাও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। প্রতি জেলায় হাজার হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় বসে। শেষমেষ ২০০৯-১০ সালে ২০০৬ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়।
নিয়োগের ক্ষেত্রে পিটিটিআই দের জন্য আলাদা করে কোনও সুবিধা দেওয়া হয়নি। ২২ মার্কসকে বাদ রেখেই চূড়ান্ত প্যানেল করে তৎকালীন বাম সরকার। এরপর মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, সুপ্রিম কোর্টে ২০০৬ সালের আগে পিটিটিআই শংসাপত্র প্রাপকদের ২২ নম্বর মার্কস নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ রাখা হয়নি। এরপর পিটিটিআই পরীক্ষার্থীরা মামলা করে হাইকোর্ট।
সেই মামলায় গত ১২ এপ্রিল আমিনা খাতুন মামলায় ২০০৪-০৫ বর্ষ পর্যন্ত পিটিটিআই শংসাপ্রাপ্তদের আবেদনকে মঞ্জুর করে যুগান্তকারী রায় দেয় কলকাতা হাইকোর্ট ৷ বিচারপতি দেবাংশু বসাকের রায়ে দেয়, ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত পিটিটি শংসাপত্র প্রাপকদের মেধা অনুযায়ী ২২ নম্বরকে মান্যতা দিতে হবে। ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ তালিকা প্রয়োজনে পুনর্বিন্যাস করতে হবে।
এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বে়ঞ্চে যায় রাজ্য সরকার। আলাদা ভাবে ২৮৯ জন পিটিটিআই নিয়োগপ্রার্থীও মামলায় অংশ নেন। দীর্ঘ সওয়াল জবাব শেষে শুক্রবার বিচারপতি সৌমিত্র পাল ও মীর দারাশেকোর ডিভিশন বেঞ্চ জানায় ২০০৯ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ তালিকা নিষ্প্রয়োজন। পাশাপাশি, বিচারপতি দেবাংশু বসাকের নির্দেশ খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ।
সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ কার্যকর করতে হলে রাজ্য জুড়ে চরম বিপত্তিতে পড়ত প্রাথমিক শিক্ষা সংসদগুলি। পিটিটিআই নিয়োগপত্রের ২২ নম্বরের মধ্যে কে কত নম্বর পেল সেই নম্বর যোগ করে নতুন করে প্রতিটি প্যানেল নতুন করে তৈরি করতে হত। এর ফলে ছয় বছর চাকরি করা ২২ হাজার শিক্ষককে বসিয়ে নতুন করে নিয়োগ তালিকার পিছনের ২২ হাজারকে সামনে আনতে হতো।

Source: http://bengali.pradesh18.com

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় হাইকোর্টের ‘মোড় ঘোরানো’ রায়!

Dated: 22/07/2016
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় স্বস্তিতে রাজ্য সরকার। ২০০৯-এর শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ খারিজ হয়ে গেল ডিভিশন বেঞ্চে। এর আগে প্যানেল পুনর্বিন্যাসের নির্দেশ দেন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের সিঙ্গল বেঞ্চ।
২০০৯-এ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার পর পিটিটিআই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা অভিযোগ করেন, নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের অতিরিক্ত ২২ নম্বর দেওয়া হয়নি। এনিয়ে হাইকোর্টে মামলাও করেন কয়েকজন।
হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ২২ নম্বর যোগ করে নতুন করে প্যানেল প্রকাশ করতে হবে। খারিজ করতে হবে আগের প্যানেল। এই নির্দেশের ফলে প্রায় ছয় বছর ধরে কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের একাংশের চাকরি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
এরপরই সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করে রাজ্য সরকার। সেই মামলায় ২০০৯-এর প্যানেলকে বৈধ বলে রায় দিল বিচারপতি সৌমিত্র পাল ও বিচারপতি মীর দারাশিকো-র ডিভিশন বেঞ্চ।

Source: http://zeenews.india.com/

 

 

 

 

 

——————————————————————-

Previous News 12/04/2016

High Court verdict regarding Primary Recruitment

12/04/2016

প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ হাইকোর্টের

২০০৯-এর প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক।
২০০৬ সালে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ থেকে পাঠানো চিঠির ভিত্তিতে ২০০৯-এ ওই পরীক্ষা নেওয়া হয়। নির্দেশিকা অনুযায়ী যাঁরা পিটিটিআই ট্রেনিং করেছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককে অতিরিক্ত ২২ নম্বর করে দেওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, নির্দেশিকায় উল্লেখ থাকলেও অনেককেই ওই নম্বর পাননি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এ নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে ২০১২-য় কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়। সেখানে হারের পর সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টও মামলাকারীদের পক্ষে রায় দেন। যদিও মামলাকারীরা তার পরেও চাকরি পাননি বলে অভিযোগ। ফের মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। এ দিন বিচারপতি বসাক মামলাকারীদের অতিরিক্ত ২২ নম্বর দিয়ে প্যানেল পুনর্বিন্যাসের নির্দেশ দেন।
Source: http://www.anandabazar.com/

MORE NEWS:
রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় রায় দিল আদালত। কলকাতা হাই কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে যে রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের যে প্যানেল র‍য়েছে তার পূর্নবিন্যাস করতে হবে। অর্থাৎ আগের যে প্রক্রিয়ায় রাজ্যের প্রাথমিক স্কুল গুলিতে শিক্ষক নিয়োগ হতো তা সম্পূর্ণ রুপেই বদলে যাবে। একইসঙ্গে আদালতের নয়া এই নির্দেশিকায় চাকরি খোয়াতে পারেন বহু প্রাথমিক শিক্ষক।

আদালতের এই নয়া নির্দেশে ২০০৪-০৫ সালে পিটিটিআই-এর প্রাপ্ত নম্বরকেই মান্যতা দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক এই রায় দিয়েছেন। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় নতুন করে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্যানেল তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

Source: www.bengali.kolkata24x7.com

 

High Court declares that WB  Primary Teacher recruitment  2013 trough Primary TET is LEGAL.

high_court_tet_epratidin high_court_tet_eisamay

 Interim Stay Order by Honourable  High Court on publication Primary TET and Upper Primary TET Result.

প্রাথমিক ও সেকেন্ডারি টেটের ফল প্রকাশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ। জানুয়ারির দশ তারিখ পর্যন্ত এই দুই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা যাবে না। নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

টেট নিয়ে জনস্বার্থে দায়ের করা একটি মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ এ দিন রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত ২০১৪-র টেটের ফলপ্রকাশ স্থগিত রাখতে হবে। পরবর্তী শুনানি হবে ১৯ জানুয়ারি।

Visit the website www.wbbpe.in regularly for latest updates on West Bengal Primary School Teacher Recruitment.

APPOINTMENT NOTIFICATION FOR PRIMARY TEACHERS

APPOINTMENT NOTIFICATION FOR PRIMARY TEACHERS 2012
West Bengal Primary Teacher Recruitment 2012
Source: www.wbbpe.org
Applications are invited for the posts of Assistant Teachers in the Govt. Aided/Sponsored Primary/Junior Basic Schools under the District Primary School Council / Primary School Council to fill up the vacancies as mentioned below. The rules of the Teacher Eligibility Test
(TET) and other particulars are stated in the following paragraphs. A candidate should verify from the notified rules vide No. 285-SE(EE)/P/10M-6/09(pt.) dated 24.07.2012 (www.wbsed.gov.in) that he/she is eligible for the TET as mentioned below:
1. Scale of Pay: Rs. 5400-Rs.25200/- + Grade Pay as admissible. Besides pay, the posts carry allowances as admissible.
2. Qualification: 
(a) Citizenship of India or such other nationalities as are declared eligible by Government of India;
or (b) Higher Secondary pass under the West Bengal Council of Higher Secondary Education or its equivalent with at least 50% marks and 2-year Diploma in Elementary Education (by whatever name known);
or (c) Higher Secondary pass under the West Bengal Council of Higher Secondary Education or its equivalent with at least 45% marks and 2-year Diploma in Elementary Education (by whatever name known), in accordance with the National Council for Teacher Education (Recognition Norms and Procedure) Regulations 2002;
or (d) Higher Secondary pass under the West Bengal Council of Higher Secondary Education or its equivalent with at least 50% marks and Diploma in Education (Special Education);
or (e) Graduation and two year Diploma in Elementary Education (by whatever name known); or (f) Ability to read, write and speak in the language relating to the medium for which the candidate wishes to apply.
Note 1. – A person with D. Ed. (Special Education) or B. Ed. (Special Education) qualification shall, after appointment, undergo six month special programme in Elementary Education recognized by the NCTE.
Note 2. – The persons having qualification of Higher Secondary pass under the West Bengal Council of Higher Secondary Education or its equivalent with at least 50% marks or graduate (irrespective of marks obtained therein) or equivalent without 2-year Diploma in Elementary Education (by whatever name known) or 4-year Bachelor of Elementary Education (B. El. Ed.) or 2-year Diploma in Education (Special Education) shall also be eligible for appearing in the Teacher Eligibility Test (TET) to be conducted for appointment of primary school teachers in the State upto 31st March, 2014, subject to condition that those who are appointed without professional qualification shall acquire the professional qualification within a period of two (2) years from the year of appointment. Provided that in case of Santhali as medium of instruction, the candidate shall only require to possess proficiency of reading, writing and speaking in OLCHIKI SCRIPTS. It shall not be obligatory for the candidates seeking appointment to the post of primary school  teacher in Santhali medium schools to have passed in the specific language as the first or the second language in the Higher Secondary Level or equivalent for which medium of instruction, the candidate is seeking appointment. Candidates belonging to reserved categories SC/ST/OBC/PH/EC shall be allowed relaxation upto 5% in the qualifying marks.
3. Age: Not less than 18 years and more than 40 years as on 01.01.2012. Relaxation of upper age for the reserved category and Exempted Category candidates shall be as per the existing Rules of the State Government.
4. Manner of Selection:
(a) The Teacher Eligibility Test (TET) shall be held as per guidelines issued from time to time by the National Council for Teacher Education and a person who will score 60% or above in the Teacher Eligibility Test (TET) examination shall be considered as Teacher Eligibility Test (TET) pass provided relaxation upto 5% marks shall be allowed to the candidates belonging to the reserved categories, such SC/ST/OBC/PH/EC.
(b) Teacher Eligibility Test (TET) examination shall be held in 100 marks consisting of the following five (5) Sections;
(a) Section I – Child Development – 20 Marks
(b) Section II – Language I – 20 Marks
(c) Section III – Language II – 20 Marks
(d) Section IV – Mathematics – 20 Marks
(e) Section V – Environmental Science – 20 Marks
Note 1. – All questions shall be of multiple choice types with four alternatives out of which one option will be correct. All questions shall be compulsory and each item shall carry one mark. But there will be no negative marking.
Note 2. – First Language of the candidate shall be determined as per the medium of instruction of the primary school for which the vacancy occurred and Second Language be English.
(c)  The Selection Committee shall call all Teacher Eligibility Test (TET) qualified candidates as mentioned in sub-rule (2), for the Viva-Voce/interview. The performance of the candidates who will be called for Viva-Voce/interview shall be assessed out of 10 marks by
the interview Board formed for the specific purpose.
(d) Thereafter, academic, training, performance in Teacher Eligibility Test (TET), Extra Curricular Activities and performance in Viva-Voce/interview of the candidates appeared at the Viva-Voce/interview shall be computed in the following manner as mentioned in Table
A below:-
Table A
(i) Madhyamik pass under the West Bengal Board of Secondary Education or its equivalent       10
(ii) Higher Secondary pass under the West Bengal Council of Higher Secondary Education or its equivalent      15
(iii) Training as prescribed in sub-rule (2) of rule 6        20
(iv) Teacher Eligibility Test (TET)                   40
(v) Extra Curricular Activities                           05
(vi) Total                                       90
(vii) Viva-Voce or Interview            10
(viii) Total                                   100
Note 1. – The percentage of marks to the total full marks obtained by the candidate in the Madhyamik Examination or its equivalent excluding additional marks, if any, shall be computed as percentage of                   10.
Note 2. – The percentage of marks to the total full marks obtained by the candidate in the H.S. Examination or its equivalent excluding additional marks, if any, shall be computed as percentage of 15.
Note 3. – 70% and above marks obtained by the candidate in Training shall be awarded 20, 50% above but below 70% marks obtained by the candidate in Training shall be awarded 17 and below 50% marks but passed in the Training by the candidate shall be
awarded 15.
Note 4. – The percentage of marks to the total full marks obtained by the Teacher Eligibility Test (TET) qualified candidate in Teacher Eligibility Test (TET), shall be computed as percentage of 40.
Note 5. – Maximum five (5) Marks shall be awarded to the candidates in the Extra Curriculum Activities on the following Extra Curriculum Activities:-
1 Games and Sports 1
2 National Cadet Corps (NCC) 1
3 Arts and Literature 1
4 Performing Art (Drama) 1
5 Music 1
Total 5
(a) A certificate of representation in the State/National/International level Games or Sports issued by the Competent State Govt. or Central Government Authorities or agencies, shall be awarded (01) mark.
(b) Minimum ‘A’ certificate of National Cadet Corps (NCC) shall be awarded (01) mark.
(c) A certificate that any essay, story, short story, drama, poetry written by the candidate selected for publication in State Level or National newspaper or Magazine (Certificate along with a copy of publication shall be submitted), shall be awarded (01) mark.
(d) A certificate that the candidate has obtained proficiency in Performing Art (drama) issued by National School of Drama or by the State Government or Central Government shall be awarded (01) mark.
(e) A certificate that the candidate has obtained proficiency in Music or Instrumental Music issued by the State Government or Central Government shall be awarded (01) mark
.
5. Teacher Eligibility Test (TET) will be conducted by the Board on a single day throughout the State of West Bengal.
6. Date of TEACHER ELIGIBILITY TEST (TET) shall be notified later.
7. Application Form: Notification for collection of the Information Booklet-cum-Application Form on payment of Rs. 100/- (Rs. 25/- for SC/ST) will be published on November 15, 2012 in the newspapers.
8. This Appointment Notification is also available from the website:www.wbsed.gov.in
Sd/-
President
W.B. Board of Primary Education
Source: www.wbbpe.org

CTET NOTIFICATION 2015 SYLLABUS ANSWER KEY RESULT EXAM CENTER

Central Teacher Eligibility Test (CTET) for September 2015

 

CENTRAL BOARD OF SECONDARY EDUCATION

CTET-application-form

IMPORTANT DATES

Schedule of Examination

Applicability

ELIGIBILITY

Pattern of Examination

Fee Details

Mode of Payment

ON-LINE SUBMISSION

Procedure for submission

Steps of Submission

MODE OF SUBMISSION

Mode of payment (Online or Bank Challan) of fee

Address for correspondence

 

 

CENTRAL BOARD OF SECONDARY EDUCATION, DELHI

CENTRAL TEACHER ELIGIBILITY TEST UNIT

PS 1-2, INSTITUTIONAL AREA, I P EXTENSION, PATPARGANJ, DELHI-110092

Ph. No.: 011-22235774, 22240104 Fax : 011-22235775 E-Mail- ctet@cbse.gov.in

PUBLIC NOTICE

CENTRAL TEACHER ELIGIBILITY TEST (CTET) – SEPT 2015

The Central Board of Secondary Education, Delhi will be conducting the 8th Central Teacher Eligibility Test (CTET) on 20.09.2015 (Sunday) for candidates to be eligible for appointment as teacher for Class I to VIII. Candidates can apply On-line for CTET-SEPT 2015 through CTET official website – www.ctet.nic.in only.

———————————-
IMPORTANT DATES:

Submission of On-line application 30.07.2015 to 19.08.2015

Last date for Online Submission of application 19-08-2015

Last date for payment of fees Through E-Challan or Debit/Credit Card by the candidate 20-08-2015 (before 03:30 PM)

Period for On-line Corrections in Particulars (No correction will be allowed in any particulars after this date) 21.08.2015 to 25.08.2015

Download Admit Card from CTET website 04.09.2015

——————————————
Schedule of Examination

DATE OF EXAMINATION   PAPER   TIMING   DURATION  

DATE  20.09.2015,   PAPER – II , TIMING 09.30 TO 12.00 HOURS,  DURATION 2.30 HOURS

DATE  20.09.2015,  PAPER – I , TIMING  14.00 TO 16.30 HOURS,   DURATION 2.30 HOURS


——————-
Applicability

i) The CTET shall apply to schools of the Central Government (KVS, NVS, Tibetan Schools, etc) and schools under the Administrative Control of UT of Chandigarh, Andaman & Nicobar Islands, Lakshadweep, Daman & Diu, Dadra & Nagar Haveli and NCT of Delhi.

ii) CTET may also apply to the unaided private schools, who may exercise the option of considering the CTET.

iii)  Schools owned and managed by the State Government/local bodies and aided schools shall consider the TET conducted by the State Government. However, a State Government can also consider the CTET if it decides not to conduct the State TET.

iv) According to CBSE Affiliation Bye-Law 53, prescribing the minimum qualifications for teachers to teach various subjects in Classes I to VIII in the schools Affiliated to CBSE stands amended to that extant and it shall be mandatory that the teachers appointed hereinafter i.e. 6th March 2012 to teach classes I to VIII in the Schools affiliated to the CBSE shall qualify/pass the Central Teacher Eligibility Test or Teacher Eligibility Test (TET), conducted by the appropriate Central/ State Government in accordance with the Guidelines framed by the NCTE for this purpose.

Please note that qualifying the CTET would not confer a right on any person for recruitment/employment as it is only one of the eligibility criteria for appointment.

——————-
ELIGIBILITY:

The candidates having the following minimum educational qualification are eligible for appearing in CTET.

Minimum Educational Qualifications for becoming Teacher for Classes I-V (Primary Stage)

Senior Secondary (or its equivalent) with at least 50% marks and passed or appearing in final year of 2- year Diploma in Elementary Education (by whatever name known).

OR

Senior Secondary (or its equivalent) with at least 45% marks and passed or appearing in final year of 2-year Diploma in Elementary Education (by whatever name known), in accordance with the NCTE (Recognition Norms and Procedure), Regulations, 2002.

OR

Senior Secondary (or its equivalent) with at least 50% marks and passed or appearing in final year of 4-year Bachelor of Elementary Education (B.El.Ed).

OR

Senior Secondary (or its equivalent) with at least 50% marks and passed or appearing in final year of 2-year Diploma in Education (Special Education)*.

OR

Graduation and passed or appearing in final year of two year Diploma in Elementary Education (by whatever name known). Minimum Educational Qualification for becoming Teacher for Classes VI-VIII (Elementary Stage) Graduation and passed or appearing in final year of 2-year Diploma in Elementary Education (by whatever name known).

OR

Graduation with at least 50% marks and passed or appearing in 1-year Bachelor in Education (B.Ed). OR Graduation with at least 45% marks and passed or appearing in 1-year Bachelor in Education (B.Ed), in accordance with the NCTE (Recognition Norms and Procedure) Regulations issued from time to time in this regard.

OR

Senior Secondary (or its equivalent) with at least 50% marks and passed or appearing in final year of 4-year Bachelor in Elementary Education (B.El.Ed).

OR

Senior Secondary (or its equivalent) with at least 50% marks and passed or appearing in final year of 4-year B.A/B.Sc.Ed or B.A. Ed/B.Sc.Ed.

OR

Graduation with at least 50% marks and passed or appearing in 1-year B.Ed. (Special Education)*.

 

Note:

(i) Relaxation up to 5% in the qualifying marks in the minimum Educational Qualification for eligibility shall be allowed to the candidates belonging to reserved categories, such as SC/ST/OBC/Differently abled.

(ii) *Diploma/Degree Course in Teacher Education: For the purposes of this Notification, a diploma/degree course in teacher education recognized by the National Council for Teacher Education (NCTE) only shall be considered. However, in case of Diploma in Education (Special Education) and B.ED (Special Education), a course recognized by the Rehabilitation Council of India (RCI) only shall be considered.

(iii) Training to be undergone: A person with D.Ed. (Special Education) qualification shall undergo, after appointment an NCTE recognized 6-month Special Programme in Elementary Education.

(iv) The minimum qualifications referred above apply to teachers of Languages, Social Studies/Social Science, Mathematics, Science etc. In respect of teachers for Physical Education, the minimum qualification norms for Physical Education teachers referred to in NCTE Regulation, dated 3rd November, 2001 (as amended from time to time) shall be applicable. For teachers of Art Education, Craft Education, Home Science, Work Education, etc. the existing eligibility norms prescribed by the State Governments and other School Managements shall be applicable till such time the NCTE lays down the minimum qualifications in respect of such teachers.

(v) Candidates who are appearing in the final year of Bachelor Degree in Education or Diploma in Elementary Education etc. are provisionally admitted and their CTET Certificate shall be valid only on passing the aforesaid Examinations, before the declaration of the CTET result.

(vi) The candidate not having any of the above qualification shall not be eligible for appearing in Central Teacher Eligibility Test.

(vii) The candidate should satisfy his/her eligibility before applying and shall be personally responsible in case he/she is not eligible to apply as per the given eligibility criteria. It is to be noted that if a candidate has been allowed to appear in the Central Teacher Eligibility Test it does not imply that the candidate’s eligibility has been verified. It does not vest any right with the candidate for appointment. The eligibility shall be finally verified, by the concerned recruiting agency/ appointing authority.


——————-
Pattern of Examination:

The CTET examination will be of objective type Multiple Choice Question (MCQs). There will be no negative marking. There will be 2 papers of CTET.

(i) Paper I will be for a person who intends to be a teacher for classes I to V.

(ii) Paper II will be for a person who intends to be a teacher for classes VI to VIII.

Note:

A person who intends to be a teacher for both levels (classes I to V and classes VI to VIII) will have to appear in both the papers (Paper I and Paper II). For detailed information please visit CTET website: www.ctet.nic.in

Important Notes:

Candidates can only apply On-line for CTET-SEPT 2015.

  • Detailed “Information Bulletin” is available on CTET website
  • www.ctet.nic.in Candidates must follow instructions strictly as given in the Information Bulletin

on the websites.

  • Candidates should strictly comply with the instructions contained in Information Bulletin, otherwise the candidature may be summarily rejected.
  • Candidate should enter his/her particulars i.e. Name, Father Name, Mother Name & Date of Birth as per Class X Certificate.
  • No change in particulars of the candidate will be allowed under any circumstances after the last dates specified for Online Corrections.


——————-
Fee Details for CTET – SEPT 2015 are as follows:

CATEGORY   |    Only Paper – I or II    |  Both Paper – I & II

CATEGORY  General/OBC, Fees for Only Paper – I or II    Rs.600/-, Fees for  Both Paper – I & II Rs.1000/-

CATEGORY  SC/ST/Diff. Abled Person, Fees for  Only Paper – I or II      Rs.300/- , Fees for Both Paper – I & II Rs.500/-

Service Charges & Service Taxes (as applicable) will be charged extra by the Bank

——————-
Mode of Payment:

  • Remittance through E-Challan by depositing the prescribed fee in CTET Exam Fee Account with Syndicate Bank or HDFC Bank.
  • By Debit/Credit Card.


——————-
ON-LINE SUBMISSION–www.ctet.nic.in

Online Application has to be submitted by accessing the following CTET website www.ctet.nic.in. The candidate should supply all the details while filling up the ‘On-line’ Application. After depositing fee in Bank, Candidates are required to take a print out of the computer generated Confirmation Page after successful submission of data. (if fees paid through Challan) and keep it for records and future reference if required.

Procedure for submission of Online Application Form of CTET-SEPT 2015

Application form -> Upload Images -> Fee Payment -> Confirmation Page

  1. Please read the Information Bulletin of CTET SEPT 2015 carefully before you start filling the Online Application Form.
  2. Candidates can apply for CTET-SEPT 2015 ‘ON-LINE through official website www.ctet.nic.in.The candidate should supply all details while filling the Online Application Form. Candidates are required to take a print out of the computer generated Confirmation Page with Registration Number after successful submission of data, uploading of scanned images of latest photograph & signature (in JPG format only) and payment of fee for record and future reference. The confirmation page SHOULD NOT be sent to CBSE/CTET unit.

3 . The candidate should mention their working Mobile No. and E-mail ID while filling their On-Line application so that the updates/alerts related to CTET may be sent to the registered Mobile Number /E-mail ID.

——————-
(a) Method of Submission of Online Application Form:

STEP 1: Log on to CTET official website www.ctet.nic.in.

STEP 2: Go to the link “Apply Online ” and open the same.

STEP 3: Fill in the Online Application Form

STEP 4: Upload Scanned Images of latest Photograph and Signature

Note:

  • The scanned image of latest photograph is required to upload to avoid the inconvenience at centre, as this photograph will be matched with the actual candidate appearing in the examination.
  • The signature should be in jpg format. Size of the photo image must be greater than 4 kb and less than 100 kb.
  • Size of the signature image must be greater than 1 kb and less than 25 kb.
  • Image Dimension of photograph should be 3.5 cm (width) x 4.5 cm (height) only.

STEP 5: Pay examination Fee by e-challan or debit/credit card

STEP 6: Print Confirmation page for record and future reference. The candidate’s particulars cannot be changed/edited once the examination fee have been submitted. Thereafter corrections in the particulars can be made online w.e.f. 21.08.2015 to 25.08.2015.

The candidates shall be permitted to make on-line correction if any in their following particulars i.e. name, father and mother name, date of birth, category, differently abled category, Paper opted (i.e. Paper I or Paper II), Subject for Paper – II, First choice of Centre, language I and/or II opted, Address of correspondence and the name of the Institution/College/University from where he/she has obtained his/her B.Ed Degree/Diploma in Elementary Education etc.

No change will be accepted through offline mode i.e. through fax/application or by email etc. No correspondence in this regard will be entertained. Please note that no request for any change in particular will be accepted under any circumstances after the specified date for online correction is over.

——————-
MODE OF SUBMISSION OF APPLICATION

A candidate can apply for the Central Teacher Eligibility Test On-line by logging on CTET official website www.ctet.nic.in only.

Before applying online please ensure to have following documents / files:

  • Scanned image of latest photograph and signature in JPG format only, for  uploading.
  • A copy of Class Xth Certificate


——————-
Decide the mode of payment of fee:

  • Through Debit/Credit Card using on-line gateway payment facility,

OR

  • Fee remitted through e-challan by downloading e-challan form from CTET official website.
  1. a) If decided to pay fee through Debit/Credit Card, check the validity of the Card and keep it ready with you while logging on to website for submitting application form.
  2. b) If decided to pay through e-challan, download e-challan after completing Part-II of Registration and deposit the Fee in CTET Exam Fee A/c with Syndicate Bank or HDFC Bank.
  3. c) Once the payment has been confirmed by the Bank/CBSE, a confirmation page will be generated.
  4. d) The candidates are NOT required to send hard copy of confirmation page to CTET unit. However, the candidates are advised to retain the hard copy of the application i.e. confirmation page, challan if fee is paid by e-challan, for future reference.


——————-
Address for correspondence:-

ASSISTANT SECRETARY (CTET)

Central Board of Secondary Education,

P.S. 1-2, I.P. Extension, Institutional Area,

Patparganj, Delhi-110092

Contact No.-011-22235774, 22240104

Fax : 011-22235775

E-Mail – ctet@cbse.gov.in

Official Website: http://ctet.nic.in/

Download Notification CTET_2015