Home » High Court Order » HIGH COURT ORDER

WB PRIMARY TET 2015 EXAM DATE ADMIT CARD FORM FILL UP RESULT INTERVIEW COUNSELLING INFORMATION LATEST NEWS

LIKE FACEBOOK PAGE: www.facebook.com/wbbpe
JOINS THE FACEBOOK GROUPS:
1.www.facebook.com/groups
/EducationAndJob/

2.www.facebook.com/groups
/WestBengalTET/

3. West Bengal Primary
Teachers' Forum


CTET Notification Details




Unofficial Informational Website

West Bengal Board of Primary Education www.facebook.com/wbbpe
FOR SSC, PSC, BANK, RAIL, POLICE, TEACHER , PROFESSOR ETC JOB & EDUCATIONAL LATEST NEWS VISIT THE WEBSITE: www.EduEtc.Com
THOSE WHO ARE SCHOOL TEACHERS MAY JOIN ONE OF THE MOST DYNAMIC TEACHERS GROUP OF WEST BENGAL: https://www.facebook.com/groups/GeneralTransferAndMutualTransfer

PRIMARY TET 2015

HIGH COURT ORDER

Kolkata_High_Court

PTTI CASE:

রাজ্যের জয়ে চাকরি বাঁচল প্রাথমিকে

Date: 23/07/2016 Anandabazar Patrika:
দীর্ঘদিন ধরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মামলা ঘুরপাক খেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টের মধ্যে। তাতেও সুরাহা না-হওয়ায় ফের মামলা হয় উচ্চ আদালতের সিঙ্গল বেঞ্চে। সেখান থেকে ডিভিশন বেঞ্চ। অবশেষে শুক্রবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে সেই নিয়োগ মামলায় জয় হল রাজ্য সরকারের।
এবং সরকারের জয়ে প্রাথমিক শিক্ষকের পদে নিযুক্ত কয়েক হাজার প্রার্থীর মাথার উপর থেকে সরে গেল বিপদের খাঁড়া। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ মেধা-তালিকা ঢেলে সাজার যে-নির্দেশ দিয়েছিল, সেই অনুযায়ী কাজ হলে অনেকেরই চাকরি নিয়ে টানাটানি পড়ে যেত বলে শিক্ষা শিবির এবং আইনজীবীদের অভিমত। ডিভিশন বেঞ্চ মেধা-তালিকা পুনর্বিন্যাসের সেই নির্দেশ খারিজ করে দেওয়ায় ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্কুলে নিযুক্ত বহু প্রার্থীর বিপদ কাটল।
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক গত ১২ এপ্রিল নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০০৬ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় পিটিটিআই প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে বাড়তি ২২ নম্বর যোগ করতে হবে। সেই অনুযায়ী নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাসও করতে বলেন তিনি। রাজ্য সরকার সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মাস দেড়েক আগে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করে। বিচারপতি সৌমিত্র পাল ও বিচারপতি মির দারা সিকোর ডিভিশন বেঞ্চ এ দিন বিচারপতি বসাকের সেই নির্দেশ খারিজ করে দেওয়ায় একই সঙ্গে সরকারের জয় হয়েছে এবং বিপন্মুক্ত হয়েছেন নিয়োগপত্র পাওয়া অনেক প্রার্থী।
রাজ্য জুড়ে শিক্ষকের আকাল। পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা না-থাকায় প্রাথমিক থেকে স্কুলশিক্ষার সর্বস্তরেই পঠনপাঠন মার খাচ্ছে। এই অবস্থায় শিক্ষা শিবিরের প্রশ্ন, প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে মামলা-মকদ্দমা এত জটিল এবং দীর্ঘায়িত হয়ে উঠল কেন?
রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সূত্রের খবর, ২০০৬ সালে কর্মসংস্থান কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকপদ পূরণের জন্য আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ’ ছিল না। প্রতিটি জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের মাধ্যমে ওই সব পদে নিয়োগের পরীক্ষা হয়। প্যানেল তৈরি হয় ২০০৯-’১০ সালে। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০০১ সালের নিয়ম মেনে প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট বা পিটিটিআই থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের অতিরিক্ত ২২ নম্বর দেওয়া হবে। কিন্তু মেধা-তালিকা তৈরির পরে জানা যায়, ওই ২২ নম্বর অনেককেই দেওয়া হয়নি। হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, ২০০১ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত যাঁরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা ২২ নম্বর পাওয়ার যোগ্য। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে শীর্ষ আদালত।
কিন্তু তার পরেও প্রাপকদের ওই ২২ নম্বর না-দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা ফের হাইকোর্টে মামলা করেন। গত এপ্রিলে বিচারপতি দেবাংশু বসাক জানিয়ে দেন, প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের ওই ২২ নম্বর দিতেই হবে। সেই সঙ্গেই তাঁর নির্দেশ ছিল, ওই বাড়তি নম্বর সংযোজনের পরে মেধা-তালিকায় যে-হেরফের হবে, সেই অনুযায়ী প্যানেল পুনর্বিন্যাস করতে হবে।
বর্তমানে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অশোক রুদ্র সেই সময় আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন। এ দিন তিনি জানান, পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকার বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল, প্রাথমিক শিক্ষকপদে আবেদন করার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হতে হবে। থাকতে হবে এক বছরের পিটিটিআই ট্রেনিং। কিন্তু ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন বা এনসিটিই-র নিয়ম অনুযায়ী এটা অবৈধ। তাদের নিয়ম অনুসারে ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে প্রার্থীকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করতে হবে। এবং সেই সঙ্গে থাকতে হবে দু’বছরের পিটিটিআই প্রশিক্ষণ। অশোকবাবুর অভিযোগ, আগেকার সরকার এনসিটিই-র নিয়ম উপেক্ষা করে নিয়োগ করতে থাকায় জটিলতা শুরু হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে এনসিটিই-র নিয়ম মানতে গিয়ে বঞ্চিত হন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের একাংশ। ওই ২২ নম্বরের দাবি জানিয়ে ২০১২ সালে তাঁরাই উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করেন।
স্কুলশিক্ষা দফতরের এক কর্তা জানান, বিচারপতি বসাকের নির্দেশে অনেক প্রাথমিক শিক্ষকেরই চাকরি হারানোর পরিস্থিতি তৈরি হয়। কারণ, ওই ২২ নম্বর দেওয়া হলে এবং প্যানেল পুনর্বিন্যস্ত হলে অনেক প্রার্থীর নাম তালিকার উপরের দিকে চলে আসত। স্বাভাবিক ভাবেই সেই সব প্রার্থী হয়ে উঠতেন এমন কিছু পদের দাবিদার, যেখানে নিয়োগ হয়ে গিয়েছে। পথে বসতেন ইতিমধ্যে নিযুক্ত বহু প্রার্থী। সেই জন্যই সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার।
‘‘ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের ফলে বহু শিক্ষক বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচলেন,’’ বলছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য।
Source: http://www.anandabazar.com/state/state-government-finally-wins-the-case-primary-teacher-case-recruitment-1.440732#

আশঙ্কা কাটল ২০০৯ সালে নিযুক্ত ২৯ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষকের।

Date: 22/07/2016

#কলকাতা: আশঙ্কা কাটল ২০০৯ সালে নিযুক্ত ২৯ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষকের। অন্যদিকে, ২০০৬ সালের আগে পিটিটিআই শংসাপত্র প্রাপক দুই থেকে আড়াই হাজার নিয়োগপ্রার্থীর নতুন করে চাকরি পাওয়ার আশা শেষ হয়ে গেল ৷
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় জয় পেল রাজ্য । পিটিটিআই ট্রেনিংপ্রাপ্তদের প্রাপ্য বাইশ নম্বরকে মান্যতা দেওয়ার রায় খারিজ করে দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।
২০১০ সালে নিয়োগপত্র পাওয়া এই প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ তালিকা পুনর্বিন্যাস করতে হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। হাইকোর্টের সৌমিত্র পাল ও মীর দারাশেকোর ডিভিশন বেঞ্চ পিটিটিআই নিয়ে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করে দিল ।
চলতি বছরের ১২ এপ্রিল হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক পিটিটিআই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ২২ নম্বরকে মান্যতা দেন। বলেন, ২০০৯ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের যে তালিকা তৈরি হয়েছিল তা পুনর্বিন্যাস করতে হবে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করে রাজ্য সরকার। আজ সৌমিত্র পাল ও মীর দারাশেকোর ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের পক্ষেই রায় দিল।
এর ফলে পিটিটিআই নিয়ে কাটল জটিলতা ৷ এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে বিপাকে পড়েছিল রাজ্য এবং একইসঙ্গে ২০০৯-১০ সালে নিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয় ৷
২০০৬ থেকে ২০১০, মামলা-মকদ্দমা সহ নানা ঘটনার জেরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতি নিয়েই একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। ২০০৯ সালের পরীক্ষার ভিত্তিতে, ২০১০ সালে নিয়োগপত্র পাওয়া প্রায় ৩০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক আচমকাই চরম সংশয়ে পড়েন।
শিক্ষার অধিকার আইন চালু হওয়ার আগে রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য মানা হত নিয়োগ আইন ২০০১। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের রিক্রুটমেন্ট রুল ২০০১ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদগুলি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ করত। সেই আইন অনুযায়ী জেলায় জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি হয় ২০০৬ সালে। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত পিটিটিআই নিয়োগপ্রার্থীদের পাশপাশি প্রশিক্ষণহীনরাও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। প্রতি জেলায় হাজার হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় বসে। শেষমেষ ২০০৯-১০ সালে ২০০৬ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়।
নিয়োগের ক্ষেত্রে পিটিটিআই দের জন্য আলাদা করে কোনও সুবিধা দেওয়া হয়নি। ২২ মার্কসকে বাদ রেখেই চূড়ান্ত প্যানেল করে তৎকালীন বাম সরকার। এরপর মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, সুপ্রিম কোর্টে ২০০৬ সালের আগে পিটিটিআই শংসাপত্র প্রাপকদের ২২ নম্বর মার্কস নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ রাখা হয়নি। এরপর পিটিটিআই পরীক্ষার্থীরা মামলা করে হাইকোর্ট।
সেই মামলায় গত ১২ এপ্রিল আমিনা খাতুন মামলায় ২০০৪-০৫ বর্ষ পর্যন্ত পিটিটিআই শংসাপ্রাপ্তদের আবেদনকে মঞ্জুর করে যুগান্তকারী রায় দেয় কলকাতা হাইকোর্ট ৷ বিচারপতি দেবাংশু বসাকের রায়ে দেয়, ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত পিটিটি শংসাপত্র প্রাপকদের মেধা অনুযায়ী ২২ নম্বরকে মান্যতা দিতে হবে। ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ তালিকা প্রয়োজনে পুনর্বিন্যাস করতে হবে।
এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বে়ঞ্চে যায় রাজ্য সরকার। আলাদা ভাবে ২৮৯ জন পিটিটিআই নিয়োগপ্রার্থীও মামলায় অংশ নেন। দীর্ঘ সওয়াল জবাব শেষে শুক্রবার বিচারপতি সৌমিত্র পাল ও মীর দারাশেকোর ডিভিশন বেঞ্চ জানায় ২০০৯ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ তালিকা নিষ্প্রয়োজন। পাশাপাশি, বিচারপতি দেবাংশু বসাকের নির্দেশ খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ।
সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ কার্যকর করতে হলে রাজ্য জুড়ে চরম বিপত্তিতে পড়ত প্রাথমিক শিক্ষা সংসদগুলি। পিটিটিআই নিয়োগপত্রের ২২ নম্বরের মধ্যে কে কত নম্বর পেল সেই নম্বর যোগ করে নতুন করে প্রতিটি প্যানেল নতুন করে তৈরি করতে হত। এর ফলে ছয় বছর চাকরি করা ২২ হাজার শিক্ষককে বসিয়ে নতুন করে নিয়োগ তালিকার পিছনের ২২ হাজারকে সামনে আনতে হতো।

Source: http://bengali.pradesh18.com

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় হাইকোর্টের ‘মোড় ঘোরানো’ রায়!

Dated: 22/07/2016
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় স্বস্তিতে রাজ্য সরকার। ২০০৯-এর শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ খারিজ হয়ে গেল ডিভিশন বেঞ্চে। এর আগে প্যানেল পুনর্বিন্যাসের নির্দেশ দেন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের সিঙ্গল বেঞ্চ।
২০০৯-এ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার পর পিটিটিআই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা অভিযোগ করেন, নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের অতিরিক্ত ২২ নম্বর দেওয়া হয়নি। এনিয়ে হাইকোর্টে মামলাও করেন কয়েকজন।
হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ২২ নম্বর যোগ করে নতুন করে প্যানেল প্রকাশ করতে হবে। খারিজ করতে হবে আগের প্যানেল। এই নির্দেশের ফলে প্রায় ছয় বছর ধরে কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের একাংশের চাকরি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
এরপরই সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করে রাজ্য সরকার। সেই মামলায় ২০০৯-এর প্যানেলকে বৈধ বলে রায় দিল বিচারপতি সৌমিত্র পাল ও বিচারপতি মীর দারাশিকো-র ডিভিশন বেঞ্চ।

Source: http://zeenews.india.com/

 

 

 

 

 

——————————————————————-

Previous News 12/04/2016

High Court verdict regarding Primary Recruitment

12/04/2016

প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ হাইকোর্টের

২০০৯-এর প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক।
২০০৬ সালে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ থেকে পাঠানো চিঠির ভিত্তিতে ২০০৯-এ ওই পরীক্ষা নেওয়া হয়। নির্দেশিকা অনুযায়ী যাঁরা পিটিটিআই ট্রেনিং করেছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককে অতিরিক্ত ২২ নম্বর করে দেওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, নির্দেশিকায় উল্লেখ থাকলেও অনেককেই ওই নম্বর পাননি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এ নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে ২০১২-য় কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়। সেখানে হারের পর সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টও মামলাকারীদের পক্ষে রায় দেন। যদিও মামলাকারীরা তার পরেও চাকরি পাননি বলে অভিযোগ। ফের মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। এ দিন বিচারপতি বসাক মামলাকারীদের অতিরিক্ত ২২ নম্বর দিয়ে প্যানেল পুনর্বিন্যাসের নির্দেশ দেন।
Source: http://www.anandabazar.com/

MORE NEWS:
রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় রায় দিল আদালত। কলকাতা হাই কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে যে রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের যে প্যানেল র‍য়েছে তার পূর্নবিন্যাস করতে হবে। অর্থাৎ আগের যে প্রক্রিয়ায় রাজ্যের প্রাথমিক স্কুল গুলিতে শিক্ষক নিয়োগ হতো তা সম্পূর্ণ রুপেই বদলে যাবে। একইসঙ্গে আদালতের নয়া এই নির্দেশিকায় চাকরি খোয়াতে পারেন বহু প্রাথমিক শিক্ষক।

আদালতের এই নয়া নির্দেশে ২০০৪-০৫ সালে পিটিটিআই-এর প্রাপ্ত নম্বরকেই মান্যতা দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক এই রায় দিয়েছেন। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় নতুন করে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্যানেল তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

Source: www.bengali.kolkata24x7.com

 

High Court declares that WB  Primary Teacher recruitment  2013 trough Primary TET is LEGAL.

high_court_tet_epratidin high_court_tet_eisamay

 Interim Stay Order by Honourable  High Court on publication Primary TET and Upper Primary TET Result.

প্রাথমিক ও সেকেন্ডারি টেটের ফল প্রকাশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ। জানুয়ারির দশ তারিখ পর্যন্ত এই দুই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা যাবে না। নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

টেট নিয়ে জনস্বার্থে দায়ের করা একটি মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ এ দিন রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত ২০১৪-র টেটের ফলপ্রকাশ স্থগিত রাখতে হবে। পরবর্তী শুনানি হবে ১৯ জানুয়ারি।

Visit the website www.wbbpe.in regularly for latest updates on West Bengal Primary School Teacher Recruitment.